ভাঙচুরের থেকে ইটবৃষ্টি, তোলপাড় বর্ধমান জেলার পার্টি অফিসে । এম ভারত নিউজ

user
0 0
Read Time:3 Minute, 3 Second

ভাঙচুর চললো বর্ধমান জেলার পার্টি অফিসে। দিন কয়েক আগেই ভার্চুয়ালি ঝা চকচকে এই অফিসের উদ্বোধন করেছিলেন জে পি নাড্ডা৷ আদি- নব্য লড়াইয়ে অফিসে ভাঙচুর চালালেন দলীয় কর্মীরা৷ দ্বন্দ্বে চললো ইটবৃষ্টি বিজেপি-র দুই গোষ্ঠীর কর্মীদের মধ্যে৷ আগুন লাগানো হল বেশ কয়েকটি গাড়িতে৷ এই ঘটনা ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল বর্ধমানে৷ দলের আদি- নব্য কর্মীদের মধ্যে এই বিবাদের জেরে অশান্তি ছড়ায় গেরুয়া শিবিরে৷ বিজেপি নেতাদের অভিযোগ, বিজেপি-র পতাকা হাতে নিয়ে তৃণমূল কর্মীরাই এই হামলা চালিয়েছে৷ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তৃণমূল নেতা এবং রাজ্যের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ। তাঁর দাবি, ‘তৃণমূল এই ধরনের রাজনীতি করে না, আমাদের দলনেত্রীও এসব পছন্দ করেন না৷ ওরা নিজেদের মধ্যেই মারামারি করে মরছে৷ এরকম আরও হবে৷ মুখ বাঁচাতে এখন তৃণমূলকে জড়াচ্ছে৷’

ঘটনার সূত্রপাত ঘটে এ দিন সকাল থেকে৷ বর্ধমান জেলার পুরোনো বিজেপি কর্মীদের একাংশের অভিযোগ, দলে নতুন কর্মীদের আগমনে তাঁদের গুরুত্ব কমেছে৷ এই কারণে দলে বর্ধমান অফিসের সামনে বিক্ষোভের প্রস্তুতিও চলছিল বেশ কিছু দিন ধরে৷ এ দিন কিছু বিজেপি কর্মী গাড়ি, বাইক করে সকাল থেকেই বিজেপি পার্টি অফিসের সামনে একত্র হয়৷ তারপরই শুরু হয় ইটবৃষ্টি পার্টি অফিস লক্ষ্য করে৷ ভিতরে ঢুকে শুরু হয় আসবাবপত্র ভাঙচুর৷ পাল্টা দলীয় কার্যালয়ের ছাদ থেকে ইটের টুকরো ছোড়া হয় হামলাকারীদের লক্ষ্য করে৷

এর পরই বিক্ষুব্ধ কর্মীরা যে গাড়িতে করে এসেছিলেন সেগুলিতে আগুন ধরিয়ে দেয় দলের অন্য গোষ্ঠী সদস্যরা৷ ভাঙচুর করা হয় বাইকও। এরপর ঘটনাস্থলে পুলিশবাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে৷ ঘটনার খবর পেয়ে বিজেপি রাজ্য নেতৃত্বও ঘটনাস্থলে হাজির হয়৷

এই প্রসঙ্গে বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য বলেন, ‘বিজেপি-তে আদি- নব্যর ভেদাভেদ নেই৷ সবাই বিজেপি কর্মী৷ আমরা গোটা ঘটনার তদন্ত করে দেখছি৷ দলে কোনওরকমের বিশৃঙ্খলা বরদাস্ত হবে না৷’

Happy
Happy
0 %
Sad
Sad
0 %
Excited
Excited
0 %
Sleepy
Sleepy
0 %
Angry
Angry
0 %
Surprise
Surprise
0 %

Leave a Reply

Next Post

সেচের জলের দাবিতে পথ অবরোধে কৃষকরা । এম ভারত নিউজ

সেচের জলের দাবিতে পথ অবরোধ করলেন খাতড়া এলাকার কৃষকরা। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বাঁকুড়ার সিমলাপাল-খাতড়া রাস্তার অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয় ধারগ্রাম, ডুমরিকোল, সাবুবাইদ, চাকা, বেনা, ডাকাই, দহলা গ্রামের প্রায় ৫০০ জন কৃষক। তাঁদের অভিযোগ, সেচ দফতরের ঘোষণা অনুযায়ী মুকুটমনিপুর জলাধার থেকে সেচের জল ছাড়া হলেও ওই জলাধার থেকে সামান্য দুরে […]

Subscribe US Now

error: Content Protected