৮০ বছরেই জীবন থামলো অস্কারের । এম ভারত নিউজ

user
0 0
Read Time:2 Minute, 45 Second

থামলো কংগ্রেস নেতা অস্কার ফার্নান্দেজের জীবনতরী। গত জুলাই মাস থেকে বার্ধক্যজনিত একাধিক সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি। ম্যাঙ্গালোরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। অস্কারের জন্ম হয়েছিল কর্নাটকে। বাবা ছিলেন সে রাজ্যের এক বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ। মা ছিলেন ভারতের প্রথম মহিলা ম্যাজিস্ট্রেট। স্বাভাবিক ভাবেই পরিবারসুত্রে এক নৈতিক শিক্ষা পেয়েছিলেন অস্কার। কেবল রাজনীতিবিদ বললে ভুল হবে, অস্কার ছিলেন এক কুচিপুড়ি নৃত্যশিল্পী। জীবনের বেশ খানিকটা সময় সাংবাদিকতাও করেছেন অস্কার।

অস্কারের রাজনৈতিক জীবনে হাতেখড়ি হয়েছিল সত্তরের দশকে। ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসে যোগদান মধ্যে দিয়ে। কর্ণাটকের উদুপি পুরসভার কাউন্সিলর নির্বাচিত হন অস্কার।১৯৮০ সালে ওই লোকসভা কেন্দ্র থেকে সাংসদ মনোনীত হন।১৯৯৬ পর্যন্ত ৫ বার সাংসদ হয়েছিলেন অস্কার।যদিও ৯৯’ সালে হেরে যান অস্কার। গান্ধী পরিবারের সঙ্গে আত্মিক যোগাযোগ ছিল অস্কারের। রাজিব গান্ধী প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন সংসদীয় সচিব হয়েছিলেন তিনি। এআইসিসির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে কয়েকটি রাজ্যের ভার ছিল অস্কারের উপর। সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে বেশ খাতির ছিল অস্কারের। মনমোহন সিং ক্ষমতায় থাকার সুবাদে ইউপিএ সরকারের ক্রীড়া ও যুবকল্যান,শ্রম,সড়ক মন্ত্রকের দায়িত্ব ছিল অস্কারের উপর।কংগ্রেসের মুখপাত্র হিসেবেও কাজ করেছেন। চলতি বছরে নিজের বাড়িতে যোগ ব্যায়াম করতে গিয়ে পড়ে যান। মাথায় গুরুতর চোট পেয়েছিলেন প্রবীণ এই রাজনীতিবিদ। আই সি ইউ তে ভর্তি ছিলেন তিনি।অভিজ্ঞ এই রাজনীতিকের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

Happy
Happy
0 %
Sad
Sad
0 %
Excited
Excited
0 %
Sleepy
Sleepy
0 %
Angry
Angry
0 %
Surprise
Surprise
0 %

Leave a Reply

Next Post

বোরখা নয়, রঙিন পোশাককে আপন করলেন আফগানি মহিলারা । এম ভারত নিউজ

আফগানিস্তানে রাজ চলছে তালিবানদের । তার মধ্যেও বীরঙ্গনা হয়ে বোরখার পরিবর্তে রঙিন পোশাক বেছে নিয়েছেন আফগানি মহিলারা। তীব্র কন্ঠে বারবার বলেছেন কালো বোরখা নয়, রঙিন আফগানি ঐতিহ্যবাহী পোশাকই আমাদের আফগান ঐতিহ্যকে ধরে রাখবে। তালিবানদের মুখের ওপর সপাটে জবাব দিয়েছেন আফগানি এই বীরাঙ্গনারা। মহিলাদের কর্মসংস্থানের যাওয়ার বিরুদ্ধে ফতোয়া জারি করেছে তালিবানি […]

Subscribe US Now

error: Content Protected