কার্যত বিজেপির কাঁধে ভর করেই সপ্তমবারের জন্য বিহারে মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে বসলেন নীতীশ কুমার। একইসঙ্গে উপমুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন চারবারের সাংসদ তারকিশোর প্রসাদ এবং রেণু দেবী। বিহারের ইতিহাসে এই প্রথম কোনও মহিলা বিধায়ক উপমুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন। ফলে মুখ্যমন্ত্রী হলেও তাঁকে বিজেপির চাপেই থাকতে হবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।

সোমবার রাজভবনে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। তবে কোভিডের কারণে কম লোকের উপস্থিতিতেই এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এদিন নীতিশকে শপথবাক্য পাঠ করান রাজ্যপাল ফাগু চৌহান। জেডিইউ থেকে এদিন শপথ নেন শীলা কুমারী, প্রথমবার জিতেই মন্ত্রী হলেন তিনি। মন্ত্রী হলেন মেওয়ালাল চৌধুরী, অশোক চৌধুরী। মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন জেডিইউ বিধায়ক বিজেন্দ্র যাদব, জেডিইউ বিধায়ক বিজয় চৌধুরি।

এদিকে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান বয়কট করে আরজেডি। একটি টুইটবার্তায় আরজেডির তরফে জানানো হয়, ‘শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান বয়কট করছে আরজেডি। এনডিএয়ের বিরুদ্ধে জনমত ছিল। রাজ্যের নির্দেশে জনমত পাল্টে গিয়েছে। বিহারের বেকার, চাষি, চুক্তিভিত্তিক শ্রমিক এবং কর্মরত শিক্ষকদের জিজ্ঞাসা করুন, তাঁদের কীরকম মনে হচ্ছে। এনডিএয়েের জোচ্চুরির ক্ষেত্রে জনগণ তিতিবিরক্ত। আমরা জনগণের প্রতিনিধি এবং তাঁদের পাশে আছি।’ ফলে এদিনের অনুষ্ঠানে দেখা মেলেনি তেজস্বী যাদবের দলের কাউকে।

জোট শরিক বিজেপির পক্ষ থেকে শপথগ্রহণে ছিলেন অমিত শাহ, জে পি নাড্ডা। ২০১০ এবং ২০১৫ সালে অসংখ্য মানুষের উপস্থিতি পটনার গান্ধী ময়দানে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। তবে এবছর সংক্রমণের কারণে তা অনেকটাই সাদামাঠাভাবেই সম্পন্ন হল।